আমলের ফজিলতসমূহ — কুরআন ও হাদিসের আলোকে
প্রতিটি আমলের পেছনে কী পুরস্কার অপেক্ষা করছে — কুরআন ও সহিহ হাদিস (বুখারি, মুসলিম, তিরমিযী, আবু দাউদ) থেকে সংকলিত। "দাওয়াত ও আমল" অ্যাপে প্রতিটি আমলের হিসাব রাখার সময় এই ফজিলতগুলো দেখা যায়।
📱 অ্যাপে আমলের হিসাব রাখা শুরু করুন — ফ্রি
ফজরের নামাজের ফজিলত
- যে ফজরের নামাজ পড়ে, সে আল্লাহর জিম্মায় (নিরাপত্তায়) থাকে। — মুসলিম ৬৫৭
- যে দুই শীতল ওয়াক্তের (ফজর ও আসর) নামাজ পড়বে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। — বুখারি ৫৭৪
- যে এশা ও ফজর জামাতে পড়ে, সে যেন সারা রাত ইবাদত করল। — মুসলিম ৬৫৬
- পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ গুনাহ ঝরিয়ে দেয় — যেমন কারো দরজার সামনের নদীতে দিনে পাঁচবার গোসল করলে শরীরে ময়লা থাকে না। — বুখারি ৫২৮
- জামাতে নামাজ একাকী নামাজের চেয়ে ২৭ গুণ উত্তম। — বুখারি ৬৪৫
- নিশ্চয়ই নামাজ অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে। — সূরা আনকাবুত: ৪৫
- কিয়ামতের দিন বান্দার সর্বপ্রথম হিসাব হবে নামাজের। — তিরমিযী ৪১৩
যোহরের নামাজের ফজিলত
- পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ গুনাহ ঝরিয়ে দেয় — যেমন কারো দরজার সামনের নদীতে দিনে পাঁচবার গোসল করলে শরীরে ময়লা থাকে না। — বুখারি ৫২৮
- জামাতে নামাজ একাকী নামাজের চেয়ে ২৭ গুণ উত্তম। — বুখারি ৬৪৫
- নিশ্চয়ই নামাজ অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে। — সূরা আনকাবুত: ৪৫
- কিয়ামতের দিন বান্দার সর্বপ্রথম হিসাব হবে নামাজের। — তিরমিযী ৪১৩
আসরের নামাজের ফজিলত
- যে আসরের নামাজ ছেড়ে দিল, তার আমল নিষ্ফল হয়ে গেল। — বুখারি ৫৫৩
- যে দুই শীতল ওয়াক্তের (ফজর ও আসর) নামাজ পড়বে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। — বুখারি ৫৭৪
- পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ গুনাহ ঝরিয়ে দেয় — যেমন কারো দরজার সামনের নদীতে দিনে পাঁচবার গোসল করলে শরীরে ময়লা থাকে না। — বুখারি ৫২৮
- জামাতে নামাজ একাকী নামাজের চেয়ে ২৭ গুণ উত্তম। — বুখারি ৬৪৫
- নিশ্চয়ই নামাজ অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে। — সূরা আনকাবুত: ৪৫
- কিয়ামতের দিন বান্দার সর্বপ্রথম হিসাব হবে নামাজের। — তিরমিযী ৪১৩
মাগরিবের নামাজের ফজিলত
- পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ গুনাহ ঝরিয়ে দেয় — যেমন কারো দরজার সামনের নদীতে দিনে পাঁচবার গোসল করলে শরীরে ময়লা থাকে না। — বুখারি ৫২৮
- জামাতে নামাজ একাকী নামাজের চেয়ে ২৭ গুণ উত্তম। — বুখারি ৬৪৫
- নিশ্চয়ই নামাজ অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে। — সূরা আনকাবুত: ৪৫
- কিয়ামতের দিন বান্দার সর্বপ্রথম হিসাব হবে নামাজের। — তিরমিযী ৪১৩
এশার নামাজের ফজিলত
- যে এশা জামাতে পড়ল, সে যেন অর্ধরাত ইবাদত করল; আর যে ফজরও জামাতে পড়ল, সে যেন পুরো রাত ইবাদত করল। — মুসলিম ৬৫৬
- পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ গুনাহ ঝরিয়ে দেয় — যেমন কারো দরজার সামনের নদীতে দিনে পাঁচবার গোসল করলে শরীরে ময়লা থাকে না। — বুখারি ৫২৮
- জামাতে নামাজ একাকী নামাজের চেয়ে ২৭ গুণ উত্তম। — বুখারি ৬৪৫
- নিশ্চয়ই নামাজ অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে। — সূরা আনকাবুত: ৪৫
- কিয়ামতের দিন বান্দার সর্বপ্রথম হিসাব হবে নামাজের। — তিরমিযী ৪১৩
ফজরের সুন্নতের ফজিলত
- ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত) দুনিয়া ও তার মধ্যকার সবকিছুর চেয়ে উত্তম। — মুসলিম ৭২৫
- যে দিনে-রাতে (ফরজ ছাড়া) ১২ রাকাত পড়ে, তার জন্য জান্নাতে ঘর নির্মিত হয়। — মুসলিম ৭২৮
যোহরের আগের সুন্নতের ফজিলত
- যে যোহরের আগে ৪ ও পরে ২ রাকাতের হেফাজত করে, আল্লাহ তার উপর জাহান্নাম হারাম করে দেন। — তিরমিযী ৪২৮
- যে দিনে-রাতে ১২ রাকাত পড়ে, তার জন্য জান্নাতে ঘর নির্মিত হয়। — মুসলিম ৭২৮
যোহরের পরের সুন্নতের ফজিলত
- যে যোহরের আগে ৪ ও পরে ২ রাকাতের হেফাজত করে, আল্লাহ তার উপর জাহান্নাম হারাম করে দেন। — তিরমিযী ৪২৮
- যে দিনে-রাতে ১২ রাকাত পড়ে, তার জন্য জান্নাতে ঘর নির্মিত হয়। — মুসলিম ৭২৮
আসরের আগের সুন্নতের ফজিলত
- আল্লাহ সেই ব্যক্তির উপর রহম করুন, যে আসরের আগে চার রাকাত পড়ে। — তিরমিযী ৪৩০
মাগরিবের পরের সুন্নতের ফজিলত
- যে দিনে-রাতে ১২ রাকাত পড়ে, তার জন্য জান্নাতে ঘর নির্মিত হয়। — মুসলিম ৭২৮
এশার আগের সুন্নতের ফজিলত
- প্রতি দুই আজানের (আজান ও ইকামতের) মাঝে নামাজ আছে — যে চায় তার জন্য। — বুখারি ৬২৪
এশার পরের সুন্নতের ফজিলত
- যে দিনে-রাতে ১২ রাকাত পড়ে, তার জন্য জান্নাতে ঘর নির্মিত হয়। — মুসলিম ৭২৮
বিতর নামাজের ফজিলত
- আল্লাহ বিতর (বেজোড়), তিনি বিতর ভালোবাসেন। হে কুরআনের অনুসারীরা, বিতর পড়ো। — আবু দাউদ ১৪১৬
তাহাজ্জুদ নামাজের ফজিলত
- ফরজের পর সর্বোত্তম নামাজ — রাতের (তাহাজ্জুদ) নামাজ। — মুসলিম ১১৬৩
- রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আমাদের রব দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করে বলেন: কে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব; কে চাইবে, আমি তাকে দেব; কে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব। — বুখারি ১১৪৫
- তাদের পার্শ্বদেশ বিছানা থেকে আলাদা থাকে; তারা ভয় ও আশা নিয়ে তাদের রবকে ডাকে… কেউ জানে না তাদের জন্য কী চোখজুড়ানো (নিয়ামত) লুকিয়ে রাখা হয়েছে। — সূরা সাজদা: ১৬-১৭
ইশরাকের নামাজের ফজিলত
- যে ফজর জামাতে পড়ে সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহর যিকিরে বসে থাকে, তারপর দুই রাকাত পড়ে — তার জন্য পূর্ণ একটি হজ ও উমরার সওয়াব। — তিরমিযী ৫৮৬
চাশত (দুহা)-এর নামাজের ফজিলত
- তোমাদের প্রত্যেকের প্রতিটি জোড়ায় (গ্রন্থিতে) সদকা রয়েছে… এসবের জন্য যথেষ্ট হয়ে যায় চাশতের দুই রাকাত। — মুসলিম ৭২০
- আমার বন্ধু (রাসুলুল্লাহ ﷺ) আমাকে তিনটি অসিয়ত করেছেন — তার একটি: চাশতের দুই রাকাত। — বুখারি ১১৭৮
আউয়াবিনের ফজিলত
- মাগরিবের পরের নফল — আউয়াবিন (আল্লাহ-অভিমুখীদের) আমল হিসেবে সালাফ থেকে প্রসিদ্ধ। — ফুকাহায়ে কেরাম
কুরআন তিলাওয়াতের ফজিলত
- যে কুরআনের একটি হরফ পড়ে, তার একটি নেকি; আর নেকি দশ গুণ। আমি বলি না আলিফ-লাম-মিম এক হরফ; বরং আলিফ এক হরফ, লাম এক হরফ, মিম এক হরফ। — তিরমিযী ২৯১০
- তোমরা কুরআন পড়ো, কেননা কিয়ামতের দিন সে তার পাঠকদের জন্য সুপারিশকারী হয়ে আসবে। — মুসলিম ৮০৪
- কুরআনে দক্ষ ব্যক্তি সম্মানিত পুণ্যবান লেখক ফেরেশতাদের সাথে থাকবে; আর যে কষ্ট করে আটকে আটকে পড়ে, তার জন্য দ্বিগুণ প্রতিদান। — বুখারি ৪৯৩৭
- তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সে-ই, যে কুরআন শেখে ও শেখায়। — বুখারি ৫০২৭
দ্বীনি ইলম ও কিতাব পড়াের ফজিলত
- যে জ্ঞান অন্বেষণের পথে চলে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেন। — মুসলিম ২৬৯৯
- আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান দান করেন। — বুখারি ৭১
সকালের যিকিরের ফজিলত
- যে ঘর/ব্যক্তি আল্লাহর যিকির করে আর যে করে না — তাদের উদাহরণ জীবিত ও মৃতের মতো। — বুখারি ৬৪০৭
- জেনে রেখো, আল্লাহর যিকিরেই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়। — সূরা রাদ: ২৮
সন্ধ্যার যিকিরের ফজিলত
- যে ঘর/ব্যক্তি আল্লাহর যিকির করে আর যে করে না — তাদের উদাহরণ জীবিত ও মৃতের মতো। — বুখারি ৬৪০৭
- জেনে রেখো, আল্লাহর যিকিরেই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়। — সূরা রাদ: ২৮
দরুদ শরিফের ফজিলত
- যে আমার উপর একবার দরুদ পড়ে, আল্লাহ তার উপর দশবার রহমত পাঠান। — মুসলিম ৪০৮
- কিয়ামতের দিন মানুষের মধ্যে আমার সবচেয়ে নিকটবর্তী হবে সে, যে আমার উপর সবচেয়ে বেশি দরুদ পড়ে। — তিরমিযী ৪৮৪
- নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর উপর দরুদ পাঠান। হে মুমিনরা, তোমরাও তাঁর উপর দরুদ ও সালাম পাঠাও। — সূরা আহযাব: ৫৬
ইস্তেগফারের ফজিলত
- যে ইস্তেগফার আঁকড়ে ধরে, আল্লাহ তার প্রতিটি সংকট থেকে মুক্তির পথ ও প্রতিটি দুশ্চিন্তা থেকে নিষ্কৃতি দেন, আর তাকে এমন উৎস থেকে রিজিক দেন যা সে কল্পনাও করে না। — আবু দাউদ ১৫১৮
- আল্লাহর কসম, আমি দিনে সত্তর বারের বেশি আল্লাহর কাছে ইস্তেগফার ও তাওবা করি। — বুখারি ৬৩০৭
- তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও, তিনি অতি ক্ষমাশীল — আসমান থেকে বৃষ্টি ঢালবেন, সম্পদ ও সন্তান দিয়ে সাহায্য করবেন। — সূরা নূহ: ১০-১২
তাসবিহে ফাতেমিের ফজিলত
- ঘুমের আগে ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ, ৩৪ বার আল্লাহু আকবার — এটি খাদেমের চেয়েও উত্তম (ফাতেমা রা.-কে শেখানো)। — বুখারি ৩৭০৫
রোজাের ফজিলত
- রোজা ঢালস্বরূপ। — বুখারি ১৮৯৪
- রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মিশকের সুগন্ধির চেয়েও প্রিয়। — বুখারি ১৯০৪
- জান্নাতে "রাইয়ান" নামে একটি দরজা আছে — কিয়ামতের দিন কেবল রোজাদাররাই সেখান দিয়ে প্রবেশ করবে। — বুখারি ১৮৯৬
সদকাের ফজিলত
- সদকা গুনাহ নিভিয়ে দেয়, যেমন পানি আগুন নেভায়। — তিরমিযী ৬১৪
- সদকা করলে সম্পদ কমে না। — মুসলিম ২৫৮৮
- যারা আল্লাহর পথে সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উদাহরণ একটি বীজ — যা থেকে সাতটি শীষ, প্রতিটি শীষে একশো দানা। — সূরা বাকারা: ২৬১
দ্বীনের দাওয়াতের ফজিলত
- আল্লাহর কসম, তোমার মাধ্যমে একজনকে আল্লাহ হিদায়াত দিলে তা তোমার জন্য লাল উটের (শ্রেষ্ঠ সম্পদের) চেয়েও উত্তম। — বুখারি ৩৭০১
- যে ভালো পথে ডাকে, তার জন্য অনুসারীদের সমান সওয়াব — তাদের সওয়াব কমানো ছাড়াই। — মুসলিম ২৬৭৪
- তার চেয়ে উত্তম কথা কার, যে আল্লাহর দিকে ডাকে, নেক আমল করে এবং বলে: আমি মুসলমানদের একজন? — সূরা ফুসসিলাত: ৩৩
ঘরের তালিমের ফজিলত
- তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সে-ই, যে কুরআন শেখে ও শেখায়। — বুখারি ৫০২৭
- নিজেকে ও পরিবারকে (জাহান্নামের) আগুন থেকে বাঁচাও। — সূরা তাহরিম: ৬
পরামর্শ (মাশওয়ারা)ের ফজিলত
- তাদের কাজকর্ম পরস্পর পরামর্শের ভিত্তিতে হয়। — সূরা শুরা: ৩৮
তাসবিহ ও যিকিরসমূহের ফজিলত
দরুদ শরিফ (اللّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّد)
- একবার দরুদে আল্লাহ দশবার রহমত পাঠান। — মুসলিম ৪০৮
- কিয়ামতের দিন আমার সবচেয়ে নিকটবর্তী সে, যে সবচেয়ে বেশি দরুদ পড়ে। — তিরমিযী ৪৮৪
ইস্তেগফার (أَسْتَغْفِرُ اللهَ)
- যে ইস্তেগফার আঁকড়ে ধরে, আল্লাহ তার প্রতিটি সংকট থেকে মুক্তির পথ ও প্রতিটি দুশ্চিন্তা থেকে নিষ্কৃতি দেন, আর তাকে এমন উৎস থেকে রিজিক দেন যা সে কল্পনাও করে না। — আবু দাউদ ১৫১৮
- আল্লাহর কসম, আমি দিনে সত্তর বারের বেশি আল্লাহর কাছে ইস্তেগফার ও তাওবা করি। — বুখারি ৬৩০৭
- তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও, তিনি অতি ক্ষমাশীল — আসমান থেকে বৃষ্টি ঢালবেন, সম্পদ ও সন্তান দিয়ে সাহায্য করবেন। — সূরা নূহ: ১০-১২
তিন তাসবিহ (সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদুলিল্লাহি…) (سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ وَلَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَاللهُ أَكْبَرُ)
- আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় চারটি কথা: সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার। — মুসলিম ২১৩৭
- এগুলো বলা আমার কাছে সূর্য যার উপর উদিত হয়েছে (গোটা দুনিয়ার) চেয়েও প্রিয়। — মুসলিম ২৬৯৫
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি (سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ)
- যে দিনে ১০০ বার বলে, তার গুনাহ মাফ হয়ে যায় — যদিও তা সমুদ্রের ফেনার সমান হয়। — বুখারি ৬৪০৫
- দুটি বাক্য জিহ্বায় হালকা, মিজানে ভারী, রহমানের কাছে প্রিয়: সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আজিম। — বুখারি ৭৫৬৩
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু… (لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ)
- যে দিনে ১০০ বার বলে — দশ গোলাম আজাদের সমান সওয়াব, ১০০ নেকি লেখা হয়, ১০০ গুনাহ মুছে যায়, সারাদিন শয়তান থেকে হেফাজত। — বুখারি ৩২৯৩
সুবহানাল্লাহ (سُبْحَانَ اللهِ)
- সুবহানাল্লাহ বললে একটি খেজুর গাছ জান্নাতে রোপণ করা হয়। — তিরমিযী ৩৪৬৪
- ঘুমের আগে ৩৩ বার — তাসবিহে ফাতেমির অংশ। — বুখারি ৩৭০৫
আলহামদুলিল্লাহ (الْحَمْدُ لِلّٰهِ)
- আলহামদুলিল্লাহ মিজান (পাল্লা) পূর্ণ করে দেয়। — মুসলিম ২২৩
আল্লাহু আকবার (اللهُ أَكْبَرُ)
- ঘুমের আগে ৩৪ বার — তাসবিহে ফাতেমির অংশ। — বুখারি ৩৭০৫
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (لَا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ)
- সর্বোত্তম যিকির: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। — তিরমিযী ৩৩৮৩
- যার শেষ কথা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। — আবু দাউদ ৩১১৬
এই সংকলনে সংক্ষেপিত অনুবাদ ব্যবহার হয়েছে। কোনো ভুল চোখে পড়লে জানান: hakimashrafaliteam@gmail.com — জাযাকাল্লাহু খাইরান।
অ্যাপ পরিচিতি · অ্যাপ ব্যবহার করুন · গোপনীয়তা নীতি